উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাস কি হবে?প্র্যাকটিকাল ক্লাসই বা কিভাবে নেওয়া সম্ভব?চিন্তায় সংসদ

কোন ক্লাস ছাড়ায় প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা কি ভাবে দেবে ছাত্রছাত্রীরা?উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাস ই বা কি হবে?চিন্তায় সংসদ।

0
416
image source - google

দা টাইমস অফ কলকাতা ডেস্ক – করোনা পরিস্থিতির জন্য এখনও কোন স্কুল কলেজ খোলা সম্ভব হয়নি।ছাত্র ছত্রীদের অনলাইন ক্লাস করানো গেলেও তাই সম্ভব হচ্ছেনা প্র্যাক্টিকাল ক্লাস।ফলে এই বিষয় নিয়ে চিন্তায় আছে সংসদ।কারন,বিজ্ঞান সাখার বেশীর ভাগ বিষয়েই প্র্যাক্টিকাল ক্লাস অতি গুরুত্বপূর্ণ।কারন প্র্যাক্টিকাল ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীদের হাতে কলমে শেখার ব্যাবস্থা থাকে।যেটা অনলাইন ক্লাসে সম্ভব নয়।

ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরে প্রস্তাব জমা পড়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাস কাট ছাট করার জন্য।পরের বছরে করোনা অতিমারির কথা মাথায় রেখে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ সিলেবাস কাটছাঁট করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।তবে প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষার ভবিষ্যৎ কি তা এখনও জানানো হয়নি।উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে অন্তত এমন কথাই শোনা যাচ্ছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর থেকে।

বিজ্ঞান বিভাগের বেশ কিছু বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরিক্ষায় ৩০ নম্বরের পরীক্ষা হয় প্র্যাক্টিকালের উপর।কিন্তু যদি ছাত্র ছাত্রীরা হাতে কলমে কিছু না শিখতে পারে তাহলে কিভাবে দেবে প্র্যাক্টিকাল।এই নিয়ে চিন্তায় উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষা সংসদের আধিকারিকরা।বিশেষত ফিজিক্স,কেমিস্ট্রি,বায়োলজির মতো বিষয়গুলিতে প্র্যাক্টিকালের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা থাকে।

এখনও পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি ঘোষণা হয়নি।তবে শেষ বৈঠকে সংসদের তরফে জুন মাসের পরে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।তবে অন্যান্য রাজ্যের মাধ্যমিক,উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা কবে নেওয়া হয় সেদিকেও তাকিয়ে থাকছে সংসদ।সেক্ষেত্রে সময় আরও আগিয়ে দেওয়ার রাস্তাও খুলে রাখতে বলা হয়েছে স্কুলগুলিকে।

উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পর এখনও ক্লাস শুরু করা সম্ভব হয় নি এই পরিস্থিতিতে।তবে অনেকে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ক্লাস শুরুর পক্ষে ইতিমধ্যেই সওয়াল করেছেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।জদিও কবে স্কুল খোলা যেতে পারে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।যদিও ক্লাস না করে বিজ্ঞান শাখার কেমিস্ত্রি,ফিজিক্স,বায়োলজি র ছাত্রছাত্রীরা প্র্যাক্টিকাল ক্লাস না করলে হাতে কলমে অনেককিছু জিনিস শেখার থেকে বঞ্ছিত হবেন।যার যেরে সমস্যায় পরতে পারেন উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here