গণেশ চতুর্থীতে এই মন্ত্র জপ করলেই মনস্কামনা পূর্ণ করবেন বিঘ্নহর্তা গনেশজি!

0
1788
Ganesh ji

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী। এইদিন সারা বিশ্বের মানুষেরা গণপতি দেবের আরাধনা করবেন। কীভাবে করবেন এইদিন গণপতি দেবের আরাধনা জেনে নিন।

গণপতি দেবের আরাধনার ক্ষেত্রে ভক্তরা সকাল বেলায় শয্যা ত্যাগ করে স্নান করে নেবেন। স্নান সারার পর তারা শুদ্ধ বস্ত্র পরে গণপতি বাপ্পার আরতি করবেন। এরপর গণেশজিকে নিয়ে ঘরে গণপতি দেবকে প্রবেশের আগে চাল ছড়িয়ে নেবেন। এবার মূর্তি স্থাপনের আগে কিছু চাল ছড়িয়ে তার মধ্যে একটি সুপুরি, কাঁচা হলুদ লাল কুমকুম ও দক্ষিণা রেখে দেবেন।

Ganesh ji
পূজার মূল পর্বের প্রয়োজনীয় সামগ্রী হিসেবে রাখবেন লাল ফুল, দূর্বা ঘাস, নারকেল, মোদক, লাল চন্দন, ধুনো ও ধূপ। তুলসী পত্র ভুলেও রাখবেন না। গণেশ পুজোয় তুলসী পাতা ব্যবহার করলে গণেশ জি রুষ্ট হন।

এরপর মন্ত্রের মধ্য দিয়ে মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে ও প্রাণ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে পুজো শুরু হয়। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর ধুপ প্রদীপ জ্বালিয়ে শুরু হয় আরতি। এরপর গনেশজির আরাধনা শুরু হয় ষোড়শপচারে।

21 টি দূর্বাঘাস, 21টি মোদক ও লাল ফুল গণেশের সামনে সাজিয়ে রাখুন। গণেশ মূর্তির মাথায় লাল চন্দনের টিকা দিন। এরপর গণেশ মূর্তির সামনে নারকেল ভেঙে নিজ পরিবারের মঙ্গল কামনা করুন। এই রীতির মধ্যে দিয়ে সংসারে সুখ ও শান্তি বজায় থাকে।

এরপর গণপতি দেবকে প্রণাম করুন ও নিজের মনোবাঞ্ছা জানান। শুদ্ধচিত্তে গণপতি দেব কে প্রণাম করে নিজের মনস্কামনা জানালে অবশ্যই সেই মনস্কামনা পূর্ণ হয়।

 

Ganesh ji
গণপতি দেবের প্রনাম মন্ত্র হলো:

একদন্তং মহাকায়ং লম্বোদর গজাননম।
বিঘ্নবিনাশকং দেবং হেরম্বং পনমাম্যহম।।

এই মন্ত্রের অর্থ হলো: যিনি একটি দন্ত বিশিষ্ট ও মহাকায়, সেই লম্বোদর, গজানন ও বিঘ্ননাশকারী হেরম্ব দেবকে আমি প্রণাম করি। এই এক প্রণাম মন্ত্রেই হবে সকল মনোবাঞ্ছা পূর্ণ। কারণ এই মন্ত্রে গণপতি দেবের সকল বৈশিষ্ট্যের কথা বলা আছে। তিনি একটি দন্ত বিশিষ্ট, তার মুখ গজের আর তিনি বিঘ্ন বিনাশ কারী। তাই গণেশ চতুর্থীর দিন সারাদিন জুড়ে শুদ্ধমনে যদি এই মন্ত্র বারংবার জপ করা হয় তবে গণেশ জি সেই ভক্তের সকল মনস্কামনা পূর্ণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here