‘পরিযায়ী’ উমার ত্রানের জন্য আকুতি,পুজোর থিমে এবার নতুন চমক

পরিযায়ী শ্রমিকের বধুর ভুমিকায় উমা তার সন্তানদের নিয়ে ত্রান নিতে বেরিয়েছেন।শিল্পীর কল্পনায় এমনই এক সুন্দর থিম ফুটে উঠছে এবারের দুরগাপুজোয়।

0
23
image source - google

দা টাইমস অফ কলকাতা ডেস্ক- এই তো বেশ কিছুদিন আগের কথা যখন করোনা পরিস্থিতিতিতে দীর্ঘ লকডাউনের জন্য কাজ হারিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা নিজের সহরে বা গ্রামে ফিরে আসছিলেন।আর তাদের সেই করুন পরিস্থিতিতে না খেতে পেয়ে হেটে হেটে বাড়ি ফেরার দৃশ্য আমাদের সকলেরই যানা।এবছর বড়িশা ক্লাবের দুর্গাপুজোয় ঠিক এই প্রতিচ্ছবি ই ফুটে উঠেছে।

শিল্পীর কল্পনাকে সত্যিই কুর্নিশ জানাতে হয়।তার কল্পনাতে ফুটে উঠেছে পরিযায়ী শ্রমিকদের বধুর বেশে উমা।একটু ত্রান পাওয়ার আশায় কার্তিক কে কোলে নিয়ে দারিয়ে আছেন উমা।আর তার সাথে দারিয়ে আছে লক্ষ্মী,গণেশ,সরস্বতী।পরিযায়ী শ্রমিকদের মতো তাকেও বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।কথায় জাচ্ছেন?কেন জাচ্ছেন? বার বার করা হয়েছে সেই প্রশ্ন।যার উত্তরে বলেছেন ‘ত্রান নিতে গো।’তার অদ্ভুত কল্পনা শক্তি ও কথার জাল বুনে দারুন একটি পরিকল্পনা করেছেন শিল্পী।যেখানে মণ্ডপে ঢোকার মুখেও শোনা যাচ্ছে ‘আজ বিকালে ত্রান দেওয়া হবে।আসুন আসুন।’

কিছু দিন আগেও প্রত্যেকটি বারোয়ারী সংশয়ে ছিল করোনা পরিস্থিতিতে আদৌ পুজো করা সম্ভব হবে কিনা।বড়িষা ক্লাব ও এই নিয়ে ছিল সংশয়ে।শিল্পী রিন্টু যখন তাদের বলেছিলেন,তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবারের পুজোর জন্য বাজেট সীমিত।কারন ততদিনে ত্রানের জন্য প্রায় ২৫ হাজার কিলগ্রাম চাল দেওয়া হয়েগেছিল।আর তখন রিন্টু বলেছিলেন এবার তিনি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়েই থিম করতে চান।আর তাকে ত্রানের জন্য যে চালের বস্তা গুলি হয়েছিল সেগুলি দিলেই হবে।

রিন্টুর তত্তাবধানে শিল্পী পল্লব ভৌমিক তার কৃষ্ণনগরে নিজের স্টুদডিও তে মায়ের মূর্তি বানিয়েছেন।এবারের মূর্তি তারা বানিয়েছেন বাস্তব ধর্মী যেখানে মায়ের সমস্ত কিছুই তারা বাস্তবধর্মী করেছেন।বরিষা ক্লাবের এক কর্তা বলেছেন,’রিন্টু কে আমরা ৫০০০ খালি চালের বস্তা দিয়েছিলাম।এত কম বাজেটে ও যে এরকম সুন্দর একটা থিম উপহার দেবে সেটা বুঝতে পারিনি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here