ফের রেকর্ড! ১২০ কেজি সোনায় তৈরি হল পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম মূর্তি!! কত খরচ হল জানেন?

0

আমরা সকলেই জানি যে, ধ্যানমগ্ন অবস্থায় গৌতম বুদ্ধের বিশ্বের বৃহত্তম মূর্তি রয়েছে থাইল্যান্ডে। উচ্চতার নিরিখে এটি ৩০২ ফুট উঁচু। এবার, সেই তালিকায় দ্বিতীয় নম্বরে জায়গা করে নিল স্বামী রামানুজাচার্যের ২১৬ ফুট উঁচু মূর্তিটি। । তার আগে ফেব্রুয়ারিতে রামানুজাচার্যের মূর্তিটি উদ্বোধন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু ত্রিদণ্ডী চিন্না জিয়ার স্বামী যে মন্দির স্থাপন করেছেন, সেখানেই স্থাপন করা হবে মূর্তিটি। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠান। চলবে ২ সপ্তাহ। যাগযজ্ঞের মাধ্যমে বিপুল সমারোহের অনুষ্ঠানে মোদির পাশাপাশি থাকবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। থাকবেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও ও চিন্না জিয়ার স্বামী।

মূর্তিটির উচ্চতা ১০৮ ফুট, মূর্তি সহ মোট স্ট্যাচুটির উচ্চতা ২১৬ ফুট, মূর্তিটি যে পদ্মের আসনে বসে রয়েছে সেটির উচ্চতা ২৭ ফুট। যার মধ্যে পদ্মের পাঁপড়ি রয়েছে ৫৪ টি। পাশাপাশি, সিঁড়ি রয়েছে মোট ১০৮ টি এবং মোট ৩৬ টি হাতি বানানো হয়েছে। মূর্তির হাতে যে দন্ডটি রয়েছে তার উচ্চতা ১৩৫ ফুট। তবে, এইভাবে এগুলি বানানোর পেছনে একটি কারণও রয়েছে!

সমস্ত সংখ্যাগুলিকে যোগ করলে দেখা যাচ্ছে যে প্রত্যেকরই যোগফল হচ্ছে “৯”, যেহেতু এই সংখ্যাটিকে একটি “শাশ্বত সংখ্যা” হিসেবে ধরা হয় তাই মূর্তি এবং মন্দিরের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সেটির ব্যবহার চোখে পড়ে।জানা গিয়েছে, এই মূর্তিটি পঞ্চলোহায় নির্মিত। কী এই পঞ্চলোহা? আসলে এটি পাঁচ ধাতুর মিশ্রণ। সেগুলি হল- সোনা, রুপো, তামা, পিতল, দস্তা। প্রায় ৪৫ একরের এই বিরাট প্রাঙ্গণে স্বামী রামানুজাচার্যের মন্দিরের পাশাপাশি, বিষ্ণুরও  ১০৮টি কালো পাথরে খোদাই করা ছোট মন্দিরও থাকবে।

 

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্বামী রামানুজাচার্যের বিশাল মূর্তি উদ্বোধন করবেন, এ….. বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের সাধু চিন্না জিয়ার স্বামীর তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন এই প্রকল্পে এখন পর্যন্ত ১৪০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বছর থেকে এটি দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে।

এর সাথে আচার্য রামানুজাচার্যের একটি ছোট মূর্তিও তৈরি করা হয়েছে যাতে 120 কেজি সোনা ব্যবহার করা হয়েছে। এই জায়গাটির নাম দেওয়া হয়েছে স্ট্যাচু অফ ইকুয়ালিটি। এই মূর্তিটির পাশাপাশি আরও ১০৮ টি মন্দির তৈরি করা হয়েছে, যেগুলির কারুকার্য এমন যে কয়েক মিনিটের জন্য অবাক করে দেয় সকলকেই।

বৃহদাকার এই মূর্তিটি তৈরির জন্য প্রথমে ১৪ টি মাটির মূর্তি তৈরি করা হয়। তারপর সেখান থেকে চারটি মূর্তি বেছে নিয়ে একটি চূড়ান্ত মূর্তি বানানো হয়। পাশাপাশি, মূর্তিটি ঠিক কি রকম হবে তা নিয়ে ব্যাঙ্গালোরে একটি থ্রি-ডি মডেল বানানো হয়। তারপরে একটি নির্মাণ সংস্থাকে এই কাজের বরাত দেওয়া হয়।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here