চীনকে শিক্ষা দিতে লাদাখে মোতায়েন হল আমেরিকার অ্যাপাচের সমতুল্য স্বদেশী ঘাতক হেলিকপ্টার রুদ্র!!

0
1120
Image-Google

দা টাইমস অফ কলকাতা ডেস্ক-রোহান মন্ডলঃ ভারত-চীন সীমান্তে সংঘর্ষের জেরে লাদাখের পরিস্থিতি এখন জটিল।

চীনের তরফ থেকে কিছুদিন আগে ভারত-চীন সীমান্তে তাদের লড়াকু হেলিকপ্টার Z-19 মোতায়েন করা হয়েছিল। এবার চীনকে যোগ্য শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী হেলিকপ্টার রুদ্রকে (Hal Rudra) লাদাখে (Ladakh) মোতায়েন করল। আমেরিকা থেকে আনা অ্যাপাচে হেলিকপ্টার এর চেয়ে এই রুদ্র অনেক উন্নত মানের এবং অধিক ক্ষমতার অধিকারী। আর চীনের Z-19 এর চেয়ে হাজার গুনে উন্নত IAF এর এই রুদ্র( Hal Rudra) হেলিকপ্টার।

IAF রুদ্রকে লাদাখের থোইস এয়ারবেসে মোতায়েন করেছে। রুদ্রকে মোতায়েন করার ফলে বায়ুসেনার পক্ষে LAC এর সেই সমস্ত এলাকায় যেতে সুবিধা হবে যেগুলিকে চীন নিজেদের ট্যাংক, আর্মড বাহন ও সেনার আস্তানা গড়ে দখল করে রেখেছে।
রুদ্র প্রতি ঘন্টায় ২৫০ কিমি বেগে উড়তে সক্ষম। আর ভূপৃষ্ঠ থেকে ২০ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে পারে। কিন্তু যে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য IAF এর রুদ্র আমেরিকার অ্যাপাচের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত মানের সেটি হল এর ওজন।

Image-Google


রুদ্রের ওজন ৫.৮ টন আর আমেরিকার অ্যাপাচের ওজন ১০.৪ টন। কম ওজনের ফলে রুদ্র লাদাখ সীমান্তে অধিক উচ্চতায় আরো বেশি পরিমাণে কাজ করতে সক্ষম। এবং আয়তনে ছোট হওয়ার ফলে রুদ্র শত্রুপক্ষের চোখে ধরা পড়ে না।


রুদ্রে সংরক্ষিত প্রধান বন্দুকটি ২০ মিমি এর, যেটি পাইলটের হেলমেট এর সাথে যুক্ত। এর ফলে পাইলট যেদিকে মাথা ঘোরাবে সেদিকে ফায়ারিং হবে। এছাড়াও ৪৮ রকেট অথবা ৪ টি আন্টি ট্যাংক মিসাইল কে রুদ্রের সাথে যুক্ত করা সম্ভব।


রুদ্র তে ব্যবহৃত টেকনোলজি এতটাই উন্নত যে এর সেন্সর অনেক দূর থেকেই শত্রুপক্ষের রাডার কে ধরে নিতে সক্ষম। রুদ্র তে এন্টি মিসাইল সিস্টেম ও যুক্ত করা হয়েছে।যার ফলে শত্রুপক্ষের মিসাইল এর অবস্থান সম্পর্কে পাইলট অবগত থাকবে এবং হাতে উপযুক্ত সময় পাবে নিজেকে রক্ষা করার। প্রসঙ্গত রুদ্র স্বদেশী অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার ধ্রুবের আর্মড ভার্শন। ভারতীয় পাইলটরা দীর্ঘদিন ধরে এই হেলিকপ্টারে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here