এবার রাজ্যে আসছে ‘‌দুয়ারে মদ’‌ প্রকল্প , বাড়িতে বসেই মিলবে সুরাপানের সুযোগ…

0

মদ বিক্রিতে ইতিমধ্যেই বেশ ভালো রকম “লক্ষ্মীলাভ” করেছে রাজ্য। এছাড়াও, করোনার মত ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও বাড়িতে বাড়িতে সব রকমের মদ পৌঁছে দেওয়ার পরিষেবা শুরু করেছিল রাজ্য সরকার। এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন মদের দোকান থেকে আবগারি দফতরের পোর্টাল মারফত এই সরবরাহ করা হত।তখন রাজ্যের আবগারি দফতরের পোর্টাল থেকে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করত বিভিন্ন মদের দোকান। এভাবেই দুয়ারে অর্ডার অনুযায়ী বিয়ার, হুইস্কি, রাম, দেশি মদ পৌঁছে যেত।তবে এই ব্যবস্থায় একটি শর্ত দেওয়া ছিল যে, মদ বিক্রি করা যাবে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট বয়সের উপরের ক্রেতাদেরই।

এবার এই পরিষেবাকে পাকাপাকি করতে বিভিন্ন ই–রিটেল সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে বড় আকারে চালু করতে চাইছে রাজ্য সরকার। যার ফলে বাড়ি বসেই অর্ডার করলে মদের বোতল নিয়ে হাজির হবেন দূত।  ‘বেভকো’ ঠিক করেছে আগামী অর্থবর্ষের গোড়ার দিকে, অর্থাৎ এপ্রিল মাস নাগাদ শুরু হয়ে যাবে বাড়ি বাড়ি মদ পৌঁছে দেওয়ার পরিষেবা।

আবগারি দপ্তর সূত্রে খবর, মদের ই–রিটেল করতে আগ্রহী সংস্থাদের কাছ থেকে আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছিল। তবে আবেদনের শর্ত হিসাবে সরকারের তরফে স্পষ্ট বলা হয়েছিল যারা অনলাইনে মদ ডেলিভারির দায়িত্ব এবং বিভিন্ন খুচরো দোকান থেকে মদ কিনে ক্রেতাদের দুয়ারে পৌঁছে দিতে পারবেন তারাই যেন আবেদন করেন।  এরপরই সরকারের কাছে একাধিক সংস্থার আবেদনপত্র পৌঁছে যায়। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত চারটি সংস্থাকে বাছা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এর মধ্যে মাত্র একটি কলকাতার সংস্থা রয়েছে। বাকি তিনটি বাইরের রাজ্যের বলে খবর।

আবগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আগস্ট থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট বেভারেজেস কর্পোরেশন’ (বেভকো) মদের ই-রিটেল করতে আগ্রহীদের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে। বহু আবেদন জমা পড়েছিল দফতরে। তার মধ্য থেকে চারটি সংস্থাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

আবগারি দফতর নতুন যে ব্যবস্থা করছে, তাতে বাড়িতে বসে মদ পেতে কতটা বেশি খরচ করতে হবে, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। বাছাই সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তির পরেই এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বলে আবগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।সরকারিভাবে এটিকে মদের ‘ই–রিটেল’ বলা হচ্ছে। আর বাকি সাধারণ জনগণ বলছেন, ‘‌দুয়ারে মদ’ প্রকল্প।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here